সনাতন স্তোত্র মঞ্জরী
শিভ় ভগভ়ান
মহাদেব

॥ শ্রীশিভ়তাণ্ডভ়স্তোত্রম্ ॥

॥ श्रीशिवताण्डवस्तोत्रम् ॥
রচয়িতা: Rawan পাঠ সংখ্যা: 1
14px

অথ রাভ়ণকৃতশিভ়তাণ্ডভ়স্তোত্রম্

॥ শ্রীগণেশায নমঃ ॥

জটাটভ়ীগলজ্জলপ্রভ়াহপাভ়িতস্থলে
গলেঽভ়লম্ব্য লম্বিতাং ভুজঙ্গতুঙ্গমালিকাম্ ।
ডমড্ডমড্ডমড্ডমন্নিনাদভ়ড্ডমর্ভ়যং
চকার চণ্ডতাণ্ডভ়ং তনোতু নঃ শিভ়ঃ শিভ়ম্ ॥ ১॥

জটাকটাহসম্ভ্রমভ্রমন্নিলিম্পনির্ঝরী-
ভ়িলোলভ়ীচিভ়ল্লরীভ়িরাজমানমূর্দ্ধনি ।
ধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বলল্ললাটপট্টপাভ়কে
কিশোরচন্দ্রশেখরে রতিঃ প্রতিক্ষণং মম ॥ ২॥

ধরাধরেন্দ্রনন্দিনীভ়িলাসবন্ধুবন্ধুর-
স্ফুরদ্দিগন্তসন্ততিপ্রমোদমানমানসে ।
কৃপাকটাক্ষধোরণীনিরুদ্ধদুর্ধরাপদি
ক্বচিদ্দিগম্বরে(ক্বচিচ্চিদম্বরে) মনো ভ়িনোদমেতু ভ়স্তুনি ॥ ৩॥

জটাভুজঙ্গপিঙ্গলস্ফুরৎফণামণিপ্রভা-
কদম্বকুঙ্কুমদ্রভ়প্রলিপ্তদিগ্বধূমুখে ।
মদান্ধসিন্ধুরস্ফুরত্ত্বগুত্তরীযমেদুরে (সিন্ধুরাসুরত্ব)
মনো ভ়িনোদমদ্ভুতং বিভর্তু ভূতভর্তরি ॥ ৪॥

সহস্রলোচনপ্রভৃত্যশেষলেখশেখর-
প্রসূনধূলিধোরণীভ়িধূসরাঙ্ঘ্রিপীঠভূঃ ।
ভুজঙ্গরাজমালযা নিবদ্ধজাটজূটকঃ
শ্রিযৈ চিরায জাযতাং চকোরবন্ধুশেখরঃ ॥ ৫॥ (শ্রিযে)
ললাটচত্বরজ্বলদ্ধনঞ্জযস্ফুলিঙ্গভা-
নিপীতপঞ্চসাযকং নমন্নিলিম্পনাযকম্ । (স্ফুলিঙ্গযা নিপীত)
সুধামযূখলেখযা ভ়িরাজমানশেখরং
মহাকপালি সম্পদে শিরো জটালমস্তু নঃ ॥ ৬॥

(মহঃ কপালি সম্পদে সরিজ্জটালমস্তু নঃ ॥)
করালভালপট্টিকাধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বল-
দ্ধনঞ্জযাহুতীকৃতপ্রচণ্ডপঞ্চসাযকে ।
ধরাধরেন্দ্রনন্দিনীকুচাগ্রচিত্রপত্রক-
প্রকল্পনৈকশিল্পিনি ত্রিলোচনে রতির্মম ॥ ৭॥

নভ়ীনমেঘমণ্ডলীনিরুদ্ধদুর্ধরস্ফুরৎ-
কুহূনিশীথিনীতমঃপ্রবন্ধবদ্ধকন্ধরঃ । (প্রবদ্ধবদ্ধ)
নিলিম্পনির্ঝরীধরস্তনোতু কৃত্তিসিন্ধুরঃ
কলানিধানবন্ধুরঃ শ্রিযং জগদ্ধুরন্ধরঃ ॥ ৮॥

প্রফুল্লনীলপঙ্কজপ্রপঞ্চকালিমপ্রভা-
ঽভ়লম্বিকণ্ঠকন্দলীরুচিপ্রবদ্ধকন্ধরম্ ।
স্মরচ্ছিদং পুরচ্ছিদং ভভ়চ্ছিদং মখচ্ছিদং
গজচ্ছিদান্ধকচ্ছিদং তমন্তকচ্ছিদং ভজে ॥ ৯॥

অখর্ভ়(অগর্ভ়)সর্ভ়মঙ্গলাকলাকদম্বমঞ্জরী-
রসপ্রভ়াহমাধুরীভ়িজৃম্ভণামধুভ়্রতম্ ।
স্মরান্তকং পুরান্তকং ভভ়ান্তকং মখান্তকং
গজান্তকান্ধকান্তকং তমন্তকান্তকং ভজে ॥ ১০॥

জযত্বদভ্রভ়িভ্রমভ্রমদ্ভুজঙ্গমশ্বস- (জযত্যদ)
দ্বিনির্গমৎক্রমস্ফুরৎকরালভালহভ়্যভ়াট্ ।
ধিমিদ্ধিমিদ্ধিমিদ্ধ্বনন্মৃদঙ্গতুঙ্গমঙ্গল- (ধিমিং ধিমিং ধিমিং ধ্বনন্)
ধ্বনিক্রমপ্রভ়র্তিতপ্রচণ্ডতাণ্ডভ়ঃ শিভ়ঃ ॥ ১১॥

দৃষদ্বিচিত্রতল্পযোর্ভুজঙ্গমৌক্তিকস্রজোর্-
গরিষ্ঠরত্নলোষ্ঠযোঃ সুহৃদ্বিপক্ষপক্ষযোঃ ।
তৃণারভ়িন্দচক্ষুষোঃ প্রজামহীমহেন্দ্রযোঃ
সমপ্রভ়ৃত্তিকঃ কদা সদাশিভ়ং ভজাম্যহম্ ॥ ১২॥

(সমং প্রভ়র্তযন্মনঃ কদা সদাশিভ়ং ভজে ॥)
কদা নিলিম্পনির্ঝরীনিকুঞ্জকোটরে ভ়সন্
ভ়িমুক্তদুর্মতিঃ সদা শিরঃস্থমঞ্জলিং ভ়হন্ ।
ভ়িলোললোললোচনো ললামভাললগ্নকঃ
(ভ়িমুক্তলোললোচনাললামভাললগ্নকং)
শিভ়েতি মন্ত্রমুচ্চরন্ কদা সুখী ভভ়াম্যহম্ ॥ ১৩॥

নিলিম্পনাথনাগরীকদম্বমৌলমল্লিকা-
নিগুম্ফনির্ভরক্ষরন্মধূষ্ণিকামনোহরঃ ।
তনোতু নো মনোমুদং ভ়িনোদিনীমহর্নিশং
পরশ্রিযঃ পরং পদং তদঙ্গজত্বিষাং চযঃ ॥ ১৪॥

প্রচণ্ডভ়াডভ়ানলপ্রভাশুভপ্রচারণী
মহাষ্টসিদ্ধিকামিনীজনাঽভ়হূতজল্পনা ।
ভ়িমুক্তভ়ামলোচনাভ়িভ়াহকালিকধ্বনিঃ
শিভ়েতি মন্ত্রভূষণা জগজ্জযায জাযতাম্ ॥ ১৫॥

ইমং হি নিত্যমেভ়মুক্তমুত্তমোত্তমং স্তভ়ং
পঠন্স্মরন্‌ব্রুভ়ন্নরো ভ়িশুদ্ধিমেতিসন্ততম্ ।
হরে গুরৌ সুভক্তিমাশু যাতি নাঽন্যথা গতিং
ভ়িমোহনং হি দেহিনাং সুশঙ্করস্য চিন্তনম্ ॥ ১৬॥

পূজাভ়সানসমযে দশভ়ক্ত্রগীতং
যঃ শম্ভুপূজনপরং পঠতি প্রদোষে ।
তস্য স্থিরাং রথগজেন্দ্রতুরঙ্গযুক্তাং
লক্ষ্মীং সদৈভ় সুমুখীং প্রদদাতি শম্ভুঃ ॥ ১৭॥

(লক্ষ্মীং প্রসাদসমযে প্রদদাতি শম্ভুঃ)

॥ ইতি শ্রীরাভ়ণকৃতং শিভ়তাণ্ডভ়স্তোত্রং সম্পূর্ণম্ ॥

সম্পূর্ণ ভাবার্থ ও বিশদ ব্যাখ্যা

শ্লোক ১:

ঘন অরণ্যতুল্য জটাজাল থেকে নির্গত স্বর্গীয় গঙ্গার পবিত্র জলধারায় যাঁর কণ্ঠদেশ বিধৌত ও পরম পবিত্র, যাঁর গলায় মালার ন্যায় দীর্ঘ ও উন্নত সর্প ঝুলছে, এবং যিনি ডমরু থেকে নিঃসৃত 'ডমড্-ডমড্' গম্ভীর ও মঙ্গলময় নিনাদের তালে প্রচণ্ড তাণ্ডব নৃত্য করছেন—সেই দেবাধিদেব ভগবান শিব আমাদের সকলের মঙ্গল ও সমৃদ্ধি বিধান করুন।
শ্লোক ২:
জটাকূপের গভীর আবর্তে তীব্র বেগে ঘূর্ণায়মান দেবনদী গঙ্গার চঞ্চল তরঙ্গমালার দ্বারা যাঁর মস্তক সুশোভিত, যাঁর কপালে 'ধগদ্-ধগদ্' শব্দে প্রজ্বলিত হচ্ছে প্রচণ্ড প্রলয়াগ্নি, এবং যাঁর ললাটে বালচন্দ্র (দ্বিতীয়ার চাঁদ) শোভা পাচ্ছে—সেই ভগবান শিবের চরণে আমার মন প্রতি ক্ষণে ভক্তিভাবে নিমগ্ন থাকুক।
শ্লোক ৩:
যিনি পর্বতরাজ হিমালয়ের কন্যা পার্বতীর বিলাসপূর্ণ কটাক্ষে পরম সুন্দর রূপ ধারণ করেছেন, যাঁর অন্তরে নিখিল বিশ্বের চরাচর আনন্দ লাভ করে, যাঁর অবিরাম করুণাদৃষ্টির প্রবাহে ভক্তের দুর্নিবার সকল বিপদ দূরীভূত হয়, এবং সমগ্র দিকই যাঁর বস্ত্র (দিগম্বর)—সেই পরম চৈতন্যময় শিবতত্ত্বে আমার মন নিরন্তর আনন্দ উপভোগ করুক।
শ্লোক ৪:
জটায় জড়িয়ে থাকা সর্পকূলের ফণার মণি থেকে বিচ্ছুরিত পিঙ্গল (লালচে-হলুদ) দীপ্তি যেন দিকরূপী সুন্দরীদের মুখমণ্ডলে কুঙ্কুমের প্রলেপ এঁকে দিচ্ছে, এবং যিনি মত্ত হাতির চর্মরূপী উত্তরীয় পরিধান করে অপরূপ শোভা বিস্তার করেছেন—সেই সকল জীবের রক্ষক ও পালনকর্তা ভূতনাথ শিবে আমার মন অদ্ভুত আনন্দ লাভ করুক।
শ্লোক ৫:
ইন্দ্রাদি সকল দেবগণ যখন মস্তক অবনত করে প্রণাম করেন, তখন তাঁদের মুকুটের পুষ্পরেণুর ধূলিকণায় যাঁর পাদপীঠ সদাসর্বদা রঞ্জিত ও ধূসরিত হয়, নাগরাজের মালা দ্বারা যাঁর জটাজুট আবদ্ধ, এবং চকোর পাখির পরম বন্ধু চন্দ্র যাঁর মস্তকের চূড়ামণি—সেই পরমেশ্বর শিব আমাদের দীর্ঘকালের অক্ষয় শ্রী ও সমৃদ্ধি দান করুন।
শ্লোক ৬:
যাঁর ললাটরূপ প্রাঙ্গণে প্রজ্বলিত অগ্নির স্ফুলিঙ্গ কামদেবকে ভস্মীভূত করেছিল, দেবরাজ ইন্দ্রাদি দেবতারা যাঁকে অবনত মস্তকে বন্দনা করেন, সুধাময় চন্দ্রের কিরণে যাঁর মস্তক সুশোভিত, এবং যিনি নরমুণ্ডমালাধারী—সেই মহাকপালীর জটাজাল আমাদের পরম সিদ্ধি ও আধ্যাত্মিক সম্পদ প্রদান করুক।
শ্লোক ৭:
যাঁর ভয়ানক কপালপটে 'ধগদ্-ধগদ্' শব্দে প্রজ্বলিত অগ্নিশিখায় প্রচণ্ড কামদেব আহুতিস্বরূপ ভস্ম হয়ে গিয়েছিলেন, এবং যিনি পর্বতরাজকন্যা পার্বতীর বক্ষঃস্থলে বিচিত্র চিত্রাবলি (শৃঙ্গারিক পত্রলেখা) অঙ্কনকারী একমাত্র নিপুণ শিল্পী—সেই ত্রিলোচন ভগবান শিবে আমার অবিচল ভক্তি ও প্রীতি থাকুক।
শ্লোক ৮:
নবীন মেঘমালার দ্বারা সমাবৃত অমাবস্যার নিশীথ অন্ধকারের মতো নীল-শ্যামল যাঁর কণ্ঠদেশ শোভা পায়, যিনি সুরনদী গঙ্গার ধারক, গজচর্মধারী, সকল কলার আধার চন্দ্রের দ্বারা পরম সুন্দর, এবং যিনি সমগ্র জগতের ভার বহনকারী—সেই জগদ্ধুরন্ধর শিব আমাদের অপার সমৃদ্ধি ও কল্যাণ প্রদান করুন।
শ্লোক ৯:
সম্পূর্ণরূপে প্রস্ফুটিত নীলপদ্মের শ্যামল দ্যুতির মতো যাঁর কণ্ঠের আভা চতুর্দিকে বিচ্ছুরিত, যিনি কামদেবকে ধ্বংস করেছেন, যিনি ত্রিপুর নাশ করেছেন, ভববন্ধন ছেদনকারী, দক্ষযজ্ঞ বিনাশকারী, গজাসুর ও অন্ধকাসুরকে নিধনকারী, এবং যিনি মৃত্যুর দেবতা যমরাজকেও পরাভূত করেছেন—সেই ভগবান শিবের আমি বন্দনা করি।
শ্লোক ১০:
অহংকারশূন্য হয়ে যিনি সর্বমঙ্গলা পার্বতীর সকল কলারূপ কদম্বপুষ্পের মঞ্জরী থেকে নিঃসৃত অমৃতরস পানকারী ভ্রমরসদৃশ, এবং যিনি কাম, ত্রিপুর, সংসারবন্ধন, দক্ষযজ্ঞ, গজাসুর, অন্ধকাসুর ও অন্তক (কাল/যম)-কে বিনাশকারী—সেই দেবাধিদেব শিবের আমি ভজনা করি।
শ্লোক ১১:
শূন্যমার্গে দ্রুত ঘূর্ণায়মান সর্পদের প্রবল ফুসফুসের নিঃশ্বাসে যাঁর ললাটের প্রলয়াগ্নি আরও ভীষণভাবে প্রদীপ্ত হয়ে ওঠে, এবং মৃদঙ্গের 'ধিমিদ্-ধিমিদ্' গম্ভীর মাঙ্গলিক ধ্বনির তালে তালে যাঁর প্রচণ্ড তাণ্ডব নৃত্য নৃত্যরত—সেই জয়ী ভগবান শিবের চিরজয় হোক!
শ্লোক ১২:
কঠিন প্রস্তর ও কোমল বিচিত্র শয্যায়, সর্প ও মুক্তার মালায়, মহামূল্যবান রত্ন ও মাটির ঢেলায়, মিত্র ও শত্রুর মধ্যে, তৃণখণ্ড ও পদ্মনয়না সুন্দরীতে, এবং সাধারণ প্রজা ও পরাক্রমশালী সম্রাটের প্রতি সমদৃষ্টি ধারণ করে—আমি কবে সেই পরমকল্যাণময় সদাশিবের নিষ্কাম আরাধনা করতে পারব?
শ্লোক ১৩:
আমি কবে পবিত্র সুরধুনী গঙ্গার তীরে কোনো লতাকুঞ্জের গুহায় বাস করে, সকল কুবুদ্ধি ও মলিনতা মুক্ত হয়ে, মস্তকে কৃতাঞ্জলিপুটে হাত জোড় করে, চঞ্চল নেত্রকে শান্ত করে কপালে তিলক ধারণপূর্বক, অবিরাম "শিব" মহামন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে পরম পরমানন্দ লাভ করব?
শ্লোক ১৪:
দেববালাদের কেশে গ্রথিত মল্লিকা কুসুম থেকে ক্ষরিত সুমধুর মকরন্দের সুবাসে সুরভিত ভগবান শিবের অঙ্গের যে অনুপম দিব্য কান্তি, তা যেন দিবারাত্র আমাদের মনকে আনন্দে পরিপূর্ণ রাখে এবং আমাদের পরম পদ (মোক্ষ) দান করে।
শ্লোক ১৫:
প্রচণ্ড বাড়বানলের ন্যায় যা সকল অশুভ ও অসুর শক্তিকে বিনাশকারী, অষ্টমহাসিদ্ধি প্রদানকারী, শুভ বিবাহের মঙ্গলধ্বনির মতো পরম কল্যাণময়, এবং চারুনেত্রা পার্বতীর আভরণে অলঙ্কৃত—সেই পরম পবিত্র 'শিব' নাম রূপ মহামন্ত্র আমাদের সমগ্র জগতের ওপর বিজয় এনে দিক।
শ্লোক ১৬:
যে মানব প্রত্যহ এই সর্বোত্তম শিবতাণ্ডব স্তোত্র পাঠ, স্মরণ অথবা শ্রবণ করেন, তিনি নিরন্তর পরম পবিত্রতা লাভ করেন এবং জগদ্গুরু ভগবান শিবের প্রতি অচলা ভক্তি প্রাপ্ত হন। এই ভক্তি ভিন্ন জীবের অন্য কোনো সদ্গতি নেই, কারণ পরমেশ্বর শিবের নিরন্তর ধ্যানই মানবের সকল মোহ ও অজ্ঞানতাকে সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট করে।
শ্লোক ১৭:
প্রদোষকালে অথবা শিবপূজা সমাপনান্তে যে ভক্ত দশানন রাবণ রচিত এই শিবস্তোত্র ভক্তিভরে পাঠ করেন, ভগবান শম্ভু তাঁকে রথ, হস্তী, অশ্ব প্রভৃতি যানবাহনে সমৃদ্ধ স্থির লক্ষ্মী এবং চিরন্তন অক্ষয় ঐশ্বর্য প্রদান করেন।

ফলশ্রুতি ও নিত্য পাঠ মাহাত্ম্য


পাঠ জপ: 0/108